১৬ জুন ২০২৬
১৬ জুন, ২০০১। শনিবার। বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামছিল। নারায়ণগঞ্জ শহরের চাষাঢ়ায় আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে তখন নেতাকর্মীদের আনাগোনাও ছিল বেশ। এতসব ব্যস্ততা আর রাজনৈতিক আলোচনার মধ্যেই হঠাৎ নেমে আসে বিভীষিকার অন্ধকার। একের পর এক বিকট শব্দে কেঁপে ওঠে নারায়ণগঞ্জ শহর। বোমার গর্জনে মুহূর্তেই স্তব্ধ হয়ে যায় চারপাশ। রক্তাক্ত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের অনেকে।
ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ সংযোগ সড়কে (লিংক রোড) জেলা পরিষদের সামনে ফুটওভার ব্রিজ থাকা সত্ত্বেও জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সড়ক পারাপার করছেন পথচারীরা। দুই থেকে চার কদম দূরত্বেই ব্রিজ থাকলেও অধিকাংশ মানুষ সেটি ব্যবহার না করে সরাসরি ছয় লেনের ব্যস্ত সড়ক পার হচ্ছেন। এতে যেকোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান এমপি-এর নারায়ণগঞ্জে আগমনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছে স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের (নাসিক) প্রশাসক সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, “তারেক রহমানের নির্দেশ নারায়ণগঞ্জকে গ্রিন ও ক্লিন সিটি হিসেবে গড়ে তোলা। গ্রিন ও ক্লিন সিটি করার মূল শক্তি হলো আপনারা (পরিচ্ছন্নকর্মী)। আপনারা যদি মনোযোগ দেন, কাজ করেন তাহলে গ্রিন এবং ক্লিন সিটি হিসেবে নারায়ণগঞ্জ গড়ে উঠবে।”
নগরীর মাসদাইরে অবস্থিত বেগম রোকেয়া স্কুলের সৃজনী মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।